Posts

North Woods

Image
North Woods. Tommy and Suzy spent every summer in the north woods. They each would spend the whole summer with their respective grandparents who had cabins a half mile apart. They both had brothers and sisters but since tommy and suzy were the same age they preferred each others company. They loved swimming in the lake and exploring the surrounding woods.  Everybody in the immediate area knew about a old man who lived in the woods. All the children in the area had been told to stay away from him and stay off his property. The old man owned a substantial area of land by the lake and he had warnings posted everywhere on his property lines.  It was rare that anyone ever saw him. One day tommy and suzy spotted him on his land both kids had never been on his property but they made it game or adventure to play close to the old mans property line. This day they saw the old man was carrying a large bouquet of roses, it seemed odd to the kids that this old man would be carrying a large...

সন্তানের প্রতি বাবার চিঠি - Manjur Kader Khan

Image
সন্তানের উদ্দেশ্যে এক বাবার লেখা অসাধারণ এক চিঠি। আমার মনে হয়েছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ভালো লাগলে আপনার সন্তানদেরও পড়তে দিন। প্রিয় সন্তান....., আমি তোমাকে তিনটি কারণে এই চিঠিটি লিখছি... প্রথমত জীবন, ভাগ্য এবং দুর্ঘটনার কোন নিশ্চয়তা নেই, কেউ জানে না সে কতদিন বাঁচবে। দ্বিতীয়ত আমি তোমার বাবা, যদি আমি তোমাকে এই কথা না বলি, অন্য কেউ বলবে না। তৃতীয়ত যা লিখলাম, তা আমার নিজের ব্যক্তিগত তিক্ত অভিজ্ঞতা, এটা হয়তো তোমাকে অনেক অপ্রয়োজনীয় কষ্ট পাওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে। জীবনে চলার পথে এগুলো মনে রাখার চেষ্টা করো: ১। যাঁরা তোমার প্রতি সদয় ছিল না, তাঁদের উপর অসন্তোষ পুষে রেখো না। কারণ, তোমার মা এবং আমি ছাড়া তোমার প্রতি সুবিচার করা কারো দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। আর যাঁরা তোমার সাথে ভালো ব্যবহার করেছে, তোমার উচিত সেটার সঠিক মূল্যায়ন করা এবং কৃতজ্ঞ থাকা। তবে তোমার সতর্ক থাকতে হবে এজন্য যে, প্রতিটি মানুষেরই প্রতি পদক্ষেপে নিজ নিজ উদ্দেশ্য থাকতে পারে। একজন মানুষ আজ তোমার সাথে ভালো, তার মানে এই নয় যে সে সবসময়ই ভালো থাকবে। কালকেই হয়ত তার প্রয়োজন ফুরিয়ে যাবে। কাজেই খুব দ্রুত কাউকে প্রকৃত বন্ধু ভেবো...

ফাও আলাপ

Image
বিয়ে-শাদির অনুষ্ঠানে খাওয়া দাওয়া শেষ করে সবাই যখন নানান ভঙ্গিতে ছবি তুলতে থাকে, আমি তখন একটু দূরে বসে তাকিয়ে থাকি।  বর-কনে হাসোজ্জল মুখে ক্যামেরার সামনে পোজ দিয়ে ছবি তুলে!  আমি তাদের সুন্দর হাসির দিকে তাকিয়ে থাকি! কতো ভাবনায় হারিয়ে যাই!  আমার মনে হয়, আহারে! এই সুন্দর হাসোজ্জল মেয়েটা আজকের এই দিনে বর হিসেবে অন্য কাউকে চেয়েছিলো হয়তো! এই যে শেরওয়ানি পরা ছেলেটারও স্বপ্ন ছিল তার পছন্দের সেই মানুষটার সাথে তার বিয়েটা হোক!  হয়তো ছেলেটার চাকুরী পেতে দেরি হওয়ায় তার সেই পছন্দের মানুষটা অন্য কারো হয়ে গেছে! এসব নানান ভাবনা আমার মাথায় ঘুরঘুর করে!  আমি সমাধানের পথ খুঁজি!  আমার মাথায় ভাবনা আসে,আসলে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা যা করেন মানুষের মঙ্গলের জন্যই করেন!  এই ছেলেটার সাথে এই মেয়েটার তাকদির লেখা ছিলো বলেই তাদের বিয়েটা হয়েছে! তারা যদি আপন রবের ফায়সালাকে সন্তুষ্ট চিত্তে মেনে নেয়, তাহলে তাদের আগামীর দিনগুলো অনেক সুন্দর হবে!  বস্তুত রবের ফায়সালা মেনে নেওয়ার মধ্যেই রয়েছে কল্যাণ ও কামিয়াবি! ~আদনান Our Another blog ↓ Megh Piyeoon

তুই কি আমার দুঃখ হবি - আনিসুল হক

Image
তুই কি আমার দুঃখ হবি? এই আমি এক উড়নচণ্ডী আউলা বাউল রুখো চুলে পথের ধুলো চোখের নীচে কালো ছায়া। সেইখানে তুই রাত বিরেতে স্পর্শ দিবি। তুই কি আমার দুঃখ হবি? তুই কি আমার শুষ্ক চোখে অশ্রু হবি? মধ্যরাতে বেজে ওঠা টেলিফোনের ধ্বনি হবি? তুই কি আমার খাঁ খাঁ দুপুর নির্জনতা ভেঙে দিয়ে ডাকপিয়নের নিষ্ঠ হাতে ক্রমাগত নড়তে থাকা দরজাময় কড়া হবি? একটি নীলাভ এনভেলাপে পুড়ে রাখা কেমন যেন বিষাদ হবি? তুই কি আমার শূন্য বুকে দীর্ঘশ্বাসের বকুল হবি? নরম হাতের ছোঁয়া হবি? একটুখানি কষ্ট দিবি? প্রতীক্ষার এই দীর্ঘ হলুদ বিকেল বেলায় কথা দিয়েও না রাখা এক কথা হবি? একটুখানি কষ্ট দিবি? তুই কি একা আমার হবি? তুই কি আমার একান্ত এক দুঃখ হবি? ~ তুই কি আমার দুঃখ হবি ~ আনিসুল হক Our Another blog ↓ Megh Piyeoon

পরিবর্তন - শরিফুল ইসলাম

Image
  আমি মরে গেছি, এক এক করে সবাই ভুলে যাচ্ছে আমায়। আমার বেষ্ট ফ্রেন্ড, যাকে আমি ভাই ডাকতাম। আমার মৃত্যুর তৃতীয় দিনের মাথায়-  তোমাকে সে দিয়ে গেছে,  একগুচ্ছ কৃষ্ণচূড়া সাথে ভালোবাসার লাল গোলাপ! শোকের চাপটার ক্লোজ করে বাবা এখন নিয়মিত যাচ্ছেন কাজে। আমার মা, যিনি আমাকে না খায়িয়ে খাবার তুলতেন না মুখে। তিনিও এখন ঠিকঠাক খাচ্ছেন, ভালো মন্দ রান্না করছেন। আমার মৃত্যুতে টঙ্গের দোকানের মামার, বেচা কিনায় কোনো  পরিবর্তন আসেনি। শুধু কমেছে একজন ক্রেতার সংখ্যা। নতুন বাজেটে , গুললিফে বেড়েছে মাত্র ১ টাকা। মামার ভীষণ আফসোস,  আমি বেঁচে নেই; দিনে তার অনেক টাকার লোকসান! আমি নেই, তাতে কী? শহরে এখনো বসন্ত আসে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এখনো মেলা বসে। আমার মৃত্যুতে বন্ধ হয়নি  সূর্যকে কেন্দ্র করে পৃথিবীর আবর্তন! আমার পরিবর্তে প্রেমিকার  বাহুতে মাথা রাখে এখন অন্য আরেকজন! শুধু পরিবর্তন এসেছে,  রাস্তার এক কুকুরের জীবনে! বাড়ির পাশের ডাস্টবিনে থাকা কুকুরটা ঘুরঘুর করে  আমার কবরের সামনে! কেউ দেয় না তাকে এক টুকরো রুটি কিনে! পরিবর্তন  ||  Shoriful Islam Our Another blog ↓...

আল্লাহকে ভালোবাসি ~ সালমান হাবীব

Image
  রা ত্রির শেষভাগে যিনি  আরশ থেকে আকাশে নেমে আসেন আজকাল মাঝরাতে আমি তার সাথে কথা বলি। আপনার কথা, আমার কথা, আপনাকে ঘিরে বেড়ে ওঠা আমার দুঃখবোধের কথা। আমি অবলীলায় বলে যাই; তাঁর সাথে আমার দূরত্বের কথা, আপনার মত করে তাঁকে ভালোবাসতে না পারার কথা। তিনি চুপচাপ শুনেন, শুনে যান। তারপর এক অদ্ভুত প্রশান্তি ঢেলে দেন অশান্ত হৃদয় জুড়ে! মডেল মসজিদ   আমি বিগলিত হই, সিজদায় নত হই, পাপড়ি ছুঁয়ে দেখে মধ্যরাতের জল। প্রতিরাতে  আরশের অধিপতি  আকাশে নেমে আসেন,  আমি তাই আকাশ ভালোবাসি। যতটা ভালো আপনাকে বাসি; তারচেয়েও বেশি আল্লাহকে ভালোবাসি। ~ শব্দের নির্মাণ  Our Another blog ↓ Megh Piyeoon

অভিমানের দিনলিপি - সালমান হাবীব

Image
আপনি আমি একই শহরে থাকি  একই আকাশে চোখ রেখে বৃষ্টি ছুঁয়ে দেখি, অথচ আমরা একে অপরকে দেখি না। আমাদের দেখা হয় না।  মেঘে মেঘে কত জলেরা বৃষ্টি হয়ে ঝরে  কত ছাপ মুছে যায় বৃষ্টির জলে  অথচ আমাদের অভিমান মুছে না। মান ভেঙ্গে বলা হয় না; 'আমি ভালো নেই,  তুমিও কী তাই আছো বুঝি?' প্রিয় দূরত্বতমা, এইসব অভিমানের দিন, দূরত্বের আলোকবর্ষ আর অপেক্ষার ইতি টেনে দিয়ে একদিন চিঠি লিখবেন আকাশের ঠিকানায়। কবিতা- অভিমানের দিনলিপি সালমান হাবীব - কবিতায় গল্প বলা মানুষ শব্দের নির্মাণের পক্ষ থেকে লেখকের জন্যে অনেক ভালোবাসা।  আপনার লেখা পাঠাতে ম্যাসেজ করতে পারেন কন্টাক্ট'আস অপশনে।  Our Another blog ↓ Megh Piyeoon   

ঋতু শীত - অরবিন্দ সরকার

Image
শীত এসে গেছে ,বুঝে গেছি সবে! গায়ের চামড়া রুক্ষসূক্ষ ,পাতাঝড়া  গাছেরা ন্যাংটা! সাপ সরীসৃপ লুকাবে গর্তে, শামুক,ঝিনুক,গুগলি তার চোখ বন্ধ , যেনো অন্ধ, শরীরের আচ্ছাদনের শেষ স্থানটুকুও মুদিবে তার খুলি। ছেলে ছোকড়ার দল , আগুন পোহাতে গোল হ'য়ে আগুনের চারপাশে,করছে হাত পা গরম! চা এর কাপ করে ঠকঠক্ আওয়াজ, মুখের ভীড়ে। কেটলি বুকে জল ভ'রে, উনুন নাহি ছাড়ে! নদী ,পুকুরে, স্নান আজ বেমানান! উষ্ণ জলে চান। পশুদের সব লোম খাড়া , উত্তুরে হাওয়া বাঁধন ছাড়া, সূয্যিমামার আলোয় কিপটেমি? দিয়ে গলায় দড়ি, খেজুর গাছে হাঁড়ি! রসবসে পিঠে পুলি,নলেনগুড়ের সুঘ্রানে রসগোল্লা দামদারী। নিশুতি রাত্রিবেলা যেনো শোকাহত নিশ্চুপ শব্দহারা! বুড়ো বুড়ি গায়ে কম্বল, গরীবের ছেঁড়া কাঁথা সম্বল, যাযাবরের ছেঁড়া কানি! অঢেল শাকসব্জীর আমদানি, ফল ফুলের সমারোহ! শীত তুমি  ধনীর ! উলেন পোষাকে  তারা জানায় স্বাগত! গরীবের প্রণাম  নিও ,এসোনা অহরহ!

সম্পর্কের ভিত্তি - সালমান হাবীব

Image
"আপনার ভালোবাসা পাবার মতো কোনো যোগ্যতাই নেই আমার"। তাকিয়ে দেখি কখন যেন নীলা এসে দাঁড়িয়েছে পাশে। আহত পাখির মতোন বিষণ্ণ চোখ, শুকনো মুখ, আর গুমোট মেঘের দল— যেন থমকে থাকা ঝড়ের পূর্বাভাস নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। নীলাকে এমন বিষণ্ণ দেখে আমি খানিক ভড়কে গেলাম। তারপর বললাম; কী হয়েছে আপনার? খানিক আগের শোনা ঠিক একই কথাটি পুনরাবৃত্তি করলো নীলা; "আপনার ভালোবাসা পাবার মতো কোনো যোগ্যতাই নেই আমার"। আমি বললাম; কেনো? হঠাৎ এমনটি কেনো মনে হচ্ছে! নীলা বললো; জোড়া ভ্রু, ডাগর চোখ, কলকাতার দাঁত, গালে পড়া টোল, খুনি তিল এসবের কিছুই আমার নেই। অথচ আপনার তো এসব পছন্দ।  আমি খানিক হাসলাম। মনে মনে। সেই হাসির কিছুটা আভাস ছড়িয়ে পড়লো আমার চোখেমুখে। এমন বিষণ্ণ-বার্তার পরও আমাকে হাসতে দেখে নীলা আরও মন খারাপ করলো। ধান-ভর্তি ডিঙি নাওয়ের গলুইয়ে আচমকা জল ছোঁয়ার মতো করে নীলার চোখের পাতা ছুঁয়ে গেল লুকোনো কান্নার জল। আমি নীলাকে ডাকলাম। নীলা সাড়া দিল। কিন্তু চোখের পাতা তুললো না। মাঝখানে অভিমান দাঁড় করিয়ে দাঁড়িয়ে রইলো দূরে। আমি দু পায়ে দূরত্ব মাড়ালাম। কাছাকাছি গিয়ে হাতের একটা আঙুল ছুঁয়ে বললাম; এদিকে তাকান। বন্ধ চোখের পা...

অতৃপ্ত মন - সৈয়দ সানুর আহমেদ

Image
জোৎস্না রাতে খোলা আকাশের নিচে‚ চোখের ইশারায়—বলছি কথা। আদিম তারাগুলো যখন—দূরদূরান্তে ব্যক্ত করছিল তার মনের ব্যাথা স্বর্গীয় হুর-পরির বেশে তুমি যখন  ঐ দূর আকাশের দেশে দেও  উঁকি। লোলুপ মনে তৃষ্ণার্ত ব্যাকুলতায় আঁড় চোখে  তোমাকেই দেখি। যদি ও মোর হৃদয়ের আবেগ খাতায় স্বর্ণাক্ষরে আছে তোমার নাম লিখা। তবুও ভালো লাগে—রোজ বিকালে তোমার পথ-পানে চেয়ে থাকা। প্রত্যেহ নিশিতে যখন সাজে-গোজে  স্বপ্নে আমার ঘরে তুমি হ‌ও হাজির। কামুক অপরুপা মালতি তনু পানে  চুল-বুল মনের আক্ষেপ করিনা জাহির।  কিন্তু— হায়! অভাগা অন্তর জ্বলে  নাবলা ব্যর্থতার তীব্র যাতনায়। হৃদয়কে অবহেলা করে রক্ত,  তোমার অন্ধ প্রেমের সীমাবদ্ধতায়। প্রেম্ উন্মাদনায় তোমার সাথে   শহর-নগর, যখন  করি বিচরণ বিদ্রুপের স্বরে লোকেরা বলে  দেখো দেখো পাগলের রুদ্র দহন। এ ভুবন ছেড়ে নক্ষত্রের বাড়ি  উড়ে যেতে চাই তোমাকে নিয়ে— চলো না—,চলে যাই পৃথিবী ছেড়ে! যতো দূর চোখে যায়—ততো দূরে, একেবারে পৃথিবীর ঐ পাড়ে Our Another blog ↓ Megh Piyeoon

শূন্য - শরিফুল ইসলাম

Image
আমি শূন্যে বেচে থাকা এক শব্দ শ্রমিক! রুদ্র আমার গুরু, আমি তার ছন্নছাড়া এক শিষ্য! ছোট্ট জীবনে আমার,  পূর্ণতার কোঠা শূণ্যের খাতায়! চারিদিক শুধু অপূর্ণতায় পরিপূর্ণ। তাই শূন্য থেকে এসে, এখন শূন্যে যাবার জন্য লড়ছি! আবার কেউ কেউ আমায় কবি বলে ডাকে,  আমি কবি, শব্দের হাতুড়ি পিটিয়ে;  আগুন জ্বালাই! বিভ্রম এই পৃথিবীতে শব্দরা অট্টহাসে,  কারণ ওইদিকে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন। আমি কবি কিংবা আমি কবি নই,  আমি এক উন্মাদ! আমি গল্পের আদোলে কবিতা লিখি, কবিতার আদোলে পাপির পাপ খোলাসা করি! নেতা আমায় কাগজ ছুঁড়ে দেয়, যেনো কলম থামাই! ধর্ষক মৃত্যু দেখায়, যেনো সত্য না লিখি! কিন্তু সে জানে না, রাতদিন;  আমি যমদূতের সাথে বসে আড্ডা দেই, খোশগল্প করি! কারণ আমি শূন্য থেকে এসে, এখন শূন্যে যাবার জন্য লড়ছি! Our Another blog ↓ Megh Piyeoon

বর্ষায় নিমন্ত্রণ - শাকের নাজির

Image
 তুমি এসো এক ঝুম বর্ষায় সন্ধ্যা মালতী হয়ে।  এসো পাতা ছুঁয়ে চুঁইয়ে পড়া জলবিন্দু হয়ে। এসো জল জমা উঠোনে হাসের খেলা হয়ে। তুমি এসো মেঘদূত হয়ে মেঘেদের শাব্দিক ঝিলিকে, এসো মেঘ-রোদ্দুর লুকোচুরিতে উঁকি দেয়া সূর্য-আভার ধূসর রঙ মেখে। তুমি এসো বালকের দুষ্টুমির ভেলায় চড়ে।  তুমি এসো আধ ভেজা অষ্টাদশীর তনু হয়ে। তুমি এসো টুপটাপ শব্দে অবিরাম বর্ষণরত কার্তিকের অলস দুপুরে হেয়ালি বৃষ্টি হয়ে।  এসো কদম কেয়ার সৌরভ মেখে নকশিকাঁথায় চঞ্চলা কিশোরীর ভাবনার নকশা হয়ে। তুমি এসো এক বর্ষণমুখর বর্ষায়?

নামকরণ - সাথী

Image
এই শহরে আমি অভাব বলতে যা বুঝি-  আমি তাদের নাম দিয়েছি ভালোবাসা এই শহরে আমি ঘৃণা বলতে যা বুঝি- আমি তাদের নাম রেখেছি সম্পত্তি, মালিকানা এই শহরে যা কিছু অভ্যেস, যা কিছু ভাবায় খুব-  তাদের আমি স্মৃতি বলি এই শহরে যারা বুঝেও না বোঝার ভান করে নিজের - বোঝা চাপিয়ে দেয় অন্যের ঘাড়ে-  তাদের আমি গনতন্ত্র বলি এই শহর যখন জল থৈ থৈ, বজ্রপাতে কান ঢাকা দায়- তখন জলের মানে মিছিল বুঝি, বজ্রপাত কে শ্লোগান ভাবি এই শহরে, একমুঠো ভাতের জন্য যারা মরে যায় তাদের আমি শহীদ বলি।

বিরিয়ানি - চিত্রদীপ বসু

Image
মন খারাপের বিষন্নতায় তোকে যে চাই ,  খিদের পেটে ডিনার পাতে তোকে শুধু চাই ,  কেউ যখন জিজ্ঞেস করে কি খাবি আয়  মনের ভেতর থেকে তোর নামটাই পাই ।  আসুক যতই ঝড় ঝাপটা সামনে পেলে তোকে  সব যে যাই আমি ভুলে ,  ব্যাথিত মনের অশ্রুকথা নিমেষে হয় দূর  প্লেটভর্তি সুগন্ধি নিয়ে তোকে কাছে পেলে ।  হোক চিকেন কিংবা মটন  তুমিই আমার প্রথম ফুড ক্রাশ ,  সামনে তোমায় পেলে ভুলে যাই সব  পেট ভরে করে ফেলি গ্রাস ।  কেউ মজে ফ্রায়েড রাইসে কেউ বা চায় পোলাও মাংস,  আমার মনে তুমিই সেরা গো বিরিয়ানী  তোমার নামে সঁপেছি হৃদয়ের একাংশ  ॥

রাষ্ট্র কিংবা নেতা - শরিফুল ইসলাম

Image
রাষ্ট্র ছেড়ে যাওয়ার পথিমধ্যে, রাষ্ট্র আমায় থামিয়ে বললেন; কোথায় যাচ্ছেন? আমি রাষ্ট্রকে বললাম- যে রাষ্ট্রে আমার মা, বিনাচিকিৎসায় মারা যায়; সে রাষ্ট্রে আমি আর থাকবো না। আমার কথা শুনে রাষ্ট্র নিশ্চুপ, মর্মাহত; নীরবতা ভেঙ্গে রাষ্ট্র যখন কিছু বলতে যাচ্ছিল, ঠিক তখনি; রাষ্ট্রকে থামিয়ে দিয়ে, রাষ্ট্রের এক নেতা বললো; চিকিৎসা করার মতো, তোমার মায়ের অর্থ ছিলো? আমি বললাম, যা ছিলো তা আপনার মতো; কিছু চাউল চোর আত্মসাৎ করে নিয়েছে! নেতা মুচকি হাসলো, এ যেনো বিদ্রূপের হাসি; নেতা বললো, তাহলে তার মৃত্যুই শ্রেয় হয়েছে! আমি আবার বললাম, যে রাষ্ট্রে আমার বোনের নিরাপত্তা নেই; ধর্ষনের বিচার নেই, সে রাষ্ট্রে আমি বসবাস করবো না। রাষ্ট্র আবারো কিছু বলতে চাচ্ছিল কিন্তু বলতে পারলোনা, রাষ্ট্রের সেই নেতা, আবারও বলে ওঠলো- রাষ্ট্র ডিজিটাল হয়েছে, নারীদের অধিকার নিশ্চিত হয়েছে; তারা অবাধ বিচরণ করতে পারে, ছেলেদের মতো শার্টপ্যান্ট পড়তে পারে; খোলামেলা পোষাকে ঘুরতে পারে। অবৈধ সম্পর্ক গড়তে পারে, তার মাঝে দু’চারটা ধর্ষন হতেই পারে; এতে রাষ্ট্রের কোনো দায়ভার নেই! নেতার কথা শুনে আমি স্তম্বিত, বিস্মিত! তারপর, ...